তিন কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে রয়েছে: মোস্তাফিজুর রহমান

১৮ মার্চ ২০১৭, ১৮:২২ |

regular_24412_news_1489858772

_____________________________________________________

 

দেশের দেড় কোটি লোক চরম দরিদ্র এবং তিন কোটি লোক দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণের অবদান রয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়বর্ধক কাজে সম্পৃক্ত করা হলে দারিদ্য বিমোচন টেকসই হবে।

শনিবার বিএফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ড. মোস্তাফিজ বলেন, ক্ষুদ্র ঋণের বড় একটি সমস্যা হলো ঋণ গ্রহীতারা কেউ কেউ একটি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করতে গিয়ে আবার অন্য একটি সংগঠন থেকে ঋণ নিচ্ছে। যা তাদেরকে দারিদ্র চক্রেই আবর্তিত রাখছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ঋণের সমস্যা দেখা গেলেও সামগ্রিকভাবে দারিদ্র বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণের অবদান রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ঋদ্র ঋণ কর্মসূচির মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে এখনো দেড় কোটি লোক চরম দরিদ্র এবং তিন কোটি লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে। বর্তমানে জিডিপির ২.২ শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় হলেও এই খাতে জিডিপি’র ৪ শতাংশ বরাদ্দ করা প্রয়োজন।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির উপকারভোগী নির্ধারণে কিছু অনিয়মের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্তিমূলক না হলে সমাজে শ্রেণি বৈষম্য বাড়বে। ৫০ লাখ মানুষকে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া কর্মসূচির ক্ষেত্রে যাদের পাওয়ার কথা তাদের কেউ কেউ অন্তর্ভুক্ত হননি আবার যাদের পাওয়ার কথা নয় তাদের অনেকেই অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক বিজয়ী হয়।

Beautiful Moments rss